বিশ্বের সর্বকালের সেরা ১০ জনপ্রিয় ক্রিকেট অধিনায়ক

জনপ্রিয় ক্রিকেট অধিনায়ক

বিশ্ব ক্রিকেটে সেরা অধিনায়কদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক রিকি পন্টিং, যিনি শুধু তার দলের জয়ের হারই বাড়াননি, বরং অধিনায়ক হিসেবে প্রতিটি আইসিসি ট্রফিও জিতেছেন।

নিচে সেরা ১০ ক্রিকেট অধিনায়কের তালিকা তুলে ধরা হলো, যেখানে রিকি পন্টিংয়ের পরে রয়েছেন এমএস ধোনি, বিরাট কোহলি, অ্যালান বোর্ডার এবং আরও অনেকে।

Read More:- কোন অধিনায়ক জিতেছেন সবচেয়ে সর্বাধিক বেশি ICC ট্রফি?

সেরা ক্রিকেট অধিনায়কদের তালিকা

অধিনায়কম্যাচজয়বিশেষ অর্জন
রিকি পন্টিং324220দুটি ওডিআই বিশ্বকাপ এবং দুটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।
এমএস ধোনি332178২০১১ বিশ্বকাপ, ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
বিরাট কোহলি213135টেস্টে ভারতকে শীর্ষস্থানে নিয়ে যাওয়া।
ইয়ন মর্গ্যান198118২০১৯ ওডিআই বিশ্বকাপ জয়।
গ্রায়েম স্মিথ286163দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ইতিহাসের সেরা জয়ের হার।
অ্যালান বোর্ডার271139১৯৮৭ বিশ্বকাপের শিরোপা জয়।
অর্জুনা রানাতুঙ্গা249101শ্রীলঙ্কাকে ১৯৯৬ ওডিআই বিশ্বকাপ জেতানো।
সৌরভ গাঙ্গুলি19697২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে দলকে পৌঁছে দেওয়া।
স্টিফেন ফ্লেমিং303128২০০০ আইসিসি নকআউট ট্রফি।
মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন221104ভারতের সর্বোচ্চ ওডিআই জয়ের অধিনায়ক।

১. রিকি পন্টিং | ২২০টি জয় ৩২৪ ম্যাচে

রিকি পন্টিংয়ের অধিনায়কত্ব নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করলেও তার দল পরিচালনার ক্ষমতা ছিল অনবদ্য। তিনি ২০০৩ এবং ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়াকে ওডিআই বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন। তার অধীনে অস্ট্রেলিয়া ২২টি টেস্ট ম্যাচে অপরাজিত ছিল।

২. এমএস ধোনি | ১৭৮টি জয় ৩৩২ ম্যাচে

ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক হিসেবে পরিচিত ধোনি। তিনি ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১ সালে ওডিআই বিশ্বকাপ এবং ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছেন। তার শান্ত মানসিকতা তাকে “ক্যাপ্টেন কুল” উপাধি এনে দিয়েছে।

৩. বিরাট কোহলি | ১৩৫টি জয় ২১৩ ম্যাচে

বিরাট কোহলি ধোনির উত্তরসূরি হয়ে ভারতকে টেস্টে বিশ্বের শীর্ষ দল করেছেন। যদিও কোনো আইসিসি ট্রফি জিততে পারেননি, তবু তার নেতৃত্বে ভারত টেস্টে দুর্দান্ত সাফল্য পেয়েছে।

৪. ইয়ন মর্গ্যান | ১১৮টি জয় ১৯৮ ম্যাচে

ইয়ন মর্গ্যান ইংল্যান্ডের ওডিআই দলকে নতুন যুগে নিয়ে গেছেন। ২০১৯ সালে তার অধিনায়কত্বে ইংল্যান্ড প্রথমবারের মতো ওডিআই বিশ্বকাপ জেতে।

৫. গ্রায়েম স্মিথ | ১৬৩টি জয় ২৮৬ ম্যাচে

দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক হিসেবে গ্রায়েম স্মিথের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। তিনি টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৮.৬২% জয়ের হার এনে দেন।

৬. অ্যালান বোর্ডার | ১৩৯টি জয় ২৭১ ম্যাচে

অ্যালান বোর্ডার অস্ট্রেলিয়াকে তার অধিনায়কত্বে ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপ জেতান এবং দলকে শীর্ষে পৌঁছে দেন।

৭. অর্জুনা রানাতুঙ্গা | ১০১টি জয় ২৪৯ ম্যাচে

১৯৯৬ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ জিতে শ্রীলঙ্কাকে ক্রিকেটের শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছে দেন অর্জুনা রানাতুঙ্গা।

৮. সৌরভ গাঙ্গুলি | ৯৭টি জয় ১৯৬ ম্যাচে

গাঙ্গুলি ভারতীয় দলকে পুনর্গঠিত করেন এবং দলকে বিদেশে জয়ী করতে সক্ষম হন। তার অধিনায়কত্বে ভারত ২০০৩ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়।

৯. স্টিফেন ফ্লেমিং | ১২৮টি জয় ৩০৩ ম্যাচে

নিউজিল্যান্ডের সর্বকালের সেরা অধিনায়কদের একজন স্টিফেন ফ্লেমিং। তার অধীনে নিউজিল্যান্ড ২০০০ সালের আইসিসি নকআউট ট্রফি জেতে।

১০. মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন | ১০৪টি জয় ২২১ ম্যাচে

ভারতের অন্যতম সফল অধিনায়ক আজহারউদ্দিন তার সময়ে ভারতকে ওডিআই ফরম্যাটে দাপুটে দল হিসেবে গড়ে তোলেন।

Read More:- টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক ছক্কা: শীর্ষ ১০ তালিকা

প্রশ্নোত্তর

রিকি পন্টিং কতটি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন এবং কতটি ম্যাচ জিতেছেন?
রিকি পন্টিং ৩২৪টি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেছেন এবং তার অধীনে ২২০টি ম্যাচ জয়ী হয়েছে।

এমএস ধোনির অধীনে ভারতীয় দল কোন কোন আইসিসি ট্রফি জিতেছে?
এমএস ধোনির অধীনে ভারতীয় দল ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১ সালে ওডিআই বিশ্বকাপ এবং ২০১৩ সালে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে।

গ্রায়েম স্মিথের অধিনায়কত্বে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট জয়ের হার কত শতাংশ?
গ্রায়েম স্মিথের অধিনায়কত্বে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট জয়ের হার ছিল ৪৮.৬২%।

সৌরভ গাঙ্গুলির অধীনে ভারতীয় দল কোন বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়?
সৌরভ গাঙ্গুলির অধীনে ভারতীয় দল ২০০৩ সালের ওডিআই বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়।

Exit mobile version